নিজস্ব প্রতিবেদক:: কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা কমিউনিউটির নেতা পরিচয়ে ডাকাত পুত্র নুরুল আমিন নুরুর অপরাধ সাম্রাজ্যের অঘোষিত শাসন ভার নিয়েছে।তার অপরাধের মাত্রা যেনো সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংকের হয়ে দেখা দিয়েছে।ক্যাম্প অভ্যন্তরে ইয়াবা-মাদক কারবার,মিয়ানমার কেন্দ্রিক চোরাকারবার,অপহরণ ও শালিস বাণিজ্য,নারী লিপ্সুতা তার জন্য মামুলী ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।বিভিন্ন প্রশাসনের সোর্স পরিচয়ে চালিয়ে যাচ্ছে বহুমুখী অপরাধ। নানা অপকর্ম চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের কোন প্রকার আইনি বাধা না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে নুরু ও তার নিজস্ব বাহিনীর সদস্যরা।তার বাবা বশর ডাকাত হিসেবে পরিচিত।ডাকাত বশর মিয়ানমারে একটি ঘটনায় নিহত হন।বাবার চরিত্রে বেড়ে উঠা নুরুল আমিন নুরু কুতুপালং ক্যাম্পে গড়ে তুলে নিজস্ব বাহিনী।তার দলে রয়েছে ৪০/৫০জনের সশস্ত্র সদস্য। সেসব সদস্যদের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত করে চলছে তার বহুমুখি অপরাধ সাম্রাজ্য।
কুতুপালং রেজিষ্ট্রার্ড ক্যাম্পের সি ব্লকে আশ্রিত রোহিঙ্গা নুরুল আমিন নানা অপরাধের সাথে যুক্ত থাকলেও গত কয়েক বছরের ব্যবধানে নিজের গায়ে লাগিয়েছেন নারী খেকো উপাধি।রোহিঙ্গা কমিউনিটির নেতা,অপরাধ সাম্রাজ্যের নেতা,বাহিনীর নেতা,প্রশাসনের সোর্স,ধনাঢ্য ইয়াবা ও চোরাকারবারি হিসেবে রোহিঙ্গাদের মাঝে একটি আতংকের নাম ইয়াবা নুরু।ক্যাম্প অভ্যন্তরে যেসব সুন্দরী কিশোরী ও নারীর উপর কু-দৃষ্টি পড়ে, সেটা ভোগ করবে,ভোগ করতে না পারলে বিভিন্ন অপকৌশলে জিম্মি করে লালসার শিকার করে।আবার অনেক বিবাহিত নারীদের বসে আনতে স্বামী কিংবা পরিবারের কাউকে প্রশাসন কে ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করতে থাকে।অন্যের স্ত্রীদের বাগে আনতে স্বামীদের প্রাননাশের হুমকিতে তটস্থ করে তুলে, এতে স্বামীদের অনেকেই ক্যাম্প ছেড়ে অন্যত্র জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।নুরুর নারী লিপ্সুতা থেকে রেহাই পায়নি অনেক বিবাহিত রোহিঙ্গা নারী।নুরুর রয়েছে ৩ স্ত্রী ও ডজন রোহিঙ্গা নারী সুন্দরী রমণী।যাদের নিয়ে বিলাসিতায় মেতে উঠে।সে তার প্রথম স্ত্রী ছাড়াও আরও দুইটি অন্যের স্ত্রী বাগিয়ে নিয়ে সংসার করছে।বর্তমানে তার ৩ স্ত্রী রয়েছে।প্রথম স্ত্রী রুবিনা আক্তার,২য় স্ত্রী ইয়াছমিন।ইয়াছমিন অন্যের স্ত্রী ছিল।৩য় স্ত্রী রোজিনা।সেও অন্যের স্ত্রী ছিল।রোজিনার পূর্বের স্বামীর ঔরষে দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে। নুরুর বহুমুখি অপকর্মের কাছে ক্যাম্প প্রশাসনও অসহায়।যেহেতো তার নিকট থেকে সুবিধা নিয়ে কতিপয় কর্তা ব্যক্তিরা সহযোগিতা করে থাকে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে নুরুর দহরম মহরম সম্পর্ক থাকায় নিরীহ রোহিঙ্গাদের অত্যাচার চালিয়ে গেলেও কেউ টু শব্দ করার সাহস পায় না।একদিকে প্রশাসনের সোর্স,অন্যদিকে টাকা ওয়ালা আর নিজস্ব বাহিনী থাকায় নুরুর দাপট চলছে দ্ধিগুণ উৎসাহে।অপকর্মের মাধ্যমে অর্জিত টাকায় বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে একাধিক দালান ঘর নির্মাণ করে রাজার হালে বসবাস জিইয়ে রেখেছে নুরু।নাম প্রকাশ প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নিরীহ রোহিঙ্গা নারীপুরুষ অভিযোগের সুরে জানান,আমরা নুরুর অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমাদের উপর অত্যাচার-নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়।বিভিন্ন মিথা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়।প্রাননাশের হুমকি দেয়।ফলে আমরা নুরুর কাছে এক প্রকার জিম্মিদশায় শরণার্থী জীবন অতিবাহিত করছি।আমরা ক্যাম্প প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট নুরুর অপকর্মের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরুল আমিন নুরু মোবাইলে জানিয়েছেন নিউজ করতে হবেনা।আমি দেখা করবো বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রস্তাব দেন।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন এসব আমার জানা নেই।ওখানে ক্যাম্প পুলিশ রয়েছে।তবে কেউ অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশক: আবদুল মাজেদ, সম্পাদক: শ.ম.গফুর, নির্বাহী সম্পাদক: হামিদুল হক, বার্তা: সম্পাদক: আজিজুল হক রানা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক: এম.রহমান সীমান্ত, বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: +880 1862-779582
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত