আব্দুর রশিদ, বিশেষ প্রতিনিধি:: ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবতার সেবায় নিয়োজিত সামাজিক সংগঠন ‘বড়বিল আল নজির ফাউন্ডেশন’। বুধবার (১৫ জুলাই) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন প্লাবিত এলাকায় বন্যাদুর্গত শতাধিক পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ সপ্তাহব্যাপী নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। দুর্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়া ও তীব্র খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের হাতে এই ভালোবাসার উপহার তুলে দেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. হারুন আজিজি আন-নদভী।
ত্রাণ বিতরণকালে ড. হারুন আজিজি আন-নদভী বলেন, "মানুষ মানুষের জন্য। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। আল নজির ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এতিম, দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।" তিনি তাঁর মরহুম পিতা অলিয়ে কামেল নজির আহমেদ ও মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এই ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য মানবসেবা উল্লেখ করে সমাজের বিত্তবানদেরও বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
বন্যায় ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকা হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়া স্থানীয় বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং ফাউন্ডেশনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপকারভোগীরা জানান, আকস্মিক বন্যায় সবকিছু হারিয়ে যখন তারা দিশেহারা, তখন এই খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য বড় এক স্বস্তি ও সান্ত্বনা নিয়ে এসেছে।
উক্ত ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলেম আল্লামা হাফেজ আবদুল হক, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও প্রেসক্লাব সভাপতি আবদুল হামিদ, দৈনিক ইত্তেফাক ও ৭১ টেলিভিশনের নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি আবদুর রশিদ, এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সিহাব উদ্দিন, মাওলানা মুফতি রিদুয়ানুল হকসহ স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, সমাজসেবক এবং স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, আল নজির ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, দুস্থ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতেও সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থেকে এই ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রকাশক: আবদুল মাজেদ, সম্পাদক: শ.ম.গফুর, নির্বাহী সম্পাদক: হামিদুল হক, বার্তা: সম্পাদক: আজিজুল হক রানা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক: এম.রহমান সীমান্ত, বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: +880 1862-779582
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত