মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কয়লার রাজ্যে এবার সূর্যের বিদ্যুৎ: মাতারবাড়ীতে সরকারের ৭০মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোগ উন্নয়নের জন্য জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিপূরণ পেতে কক্সবাজারে দৌড়ঝাঁপ; মহেশখালীতে এলএ অফিস স্থাপনের দাবি বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫৫ পরিবারের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশন ও গ্রাউসের ত্রাণ বিতরণ মহেশখালীতে পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়, এলজিসহ গ্রেপ্তার ১১ মামলার আসামি মেয়াদোত্তীর্ণ তিন ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগ, মহেশখালীতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায় ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ইউএনও মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, ইয়াবা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ৯ পরোয়ানাভুক্ত সালাউদ্দিন চট্টগ্রামের খুলশী থেকে গ্রেপ্তার মহেশখালীর তিন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে হাইকোর্টের রুল হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে মহেশখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদ্‌যাপন বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পরিচিতি সভা

কয়লার রাজ্যে এবার সূর্যের বিদ্যুৎ: মাতারবাড়ীতে সরকারের ৭০মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের| নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী (কক্সবাজার):: কয়লার রাজ্যে এবার সূর্যের বিদ্যুৎ! মাতারবাড়ীতে সরকারের ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোগ ১৭১ একর অব্যবহৃত জমিতে ৬০৫ কোটি টাকার প্রকল্প; ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে, ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য। একসময় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল কর্মযজ্ঞের কারণে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে মহেশখালীর মাতারবাড়ী। এবার সেই মাতারবাড়ীতেই জীবাশ্ম জ্বালানির বাইরে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানার ভেতরে পড়ে থাকা ১৭১ একর অব্যবহৃত জমিতে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রায় ৬০৫ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাবিত এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একই এলাকায় কয়লা ও সূর্যের আলো দুই উৎস থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।জ্বালানি সংকট, আমদানিনির্ভরতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর জাতীয় অঙ্গীকারের মধ্যে

মাতারবাড়ীর এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ না করে বিদ্যমান অবকাঠামোর আওতায় থাকা অব্যবহৃত জমি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা প্রকল্পটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়ন,অর্থায়ন নিশ্চিত করণ এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই শুরু হবে বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু মাতারবাড়ীর বিদ্যুৎউৎপাদন ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আসবে না, জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও যুক্ত হবে নতুন সক্ষমতা। এখন প্রশ্ন পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়নে কত দ্রুত এগোতে পারে এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, আর কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে মাতারবাড়ীর অব্যবহৃত জমি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট