রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, ইয়াবা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ৯ পরোয়ানাভুক্ত সালাউদ্দিন চট্টগ্রামের খুলশী থেকে গ্রেপ্তার মহেশখালীর তিন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে হাইকোর্টের রুল হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে মহেশখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদ্‌যাপন বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পরিচিতি সভা পালংখালীতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে বসতভিটা দখলে নিতে হামলা-ভাংচুর অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! বান্দরবানের নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ইসলামী সমাজকল্যাণ সমিতি ও পাঠাগারের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে ৫ হাজার ৬৩০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে চালক আনোয়ারের মৃত্যু সহকর্মীর স্মৃতিতে আবেগঘন শ্রদ্ধা, রিয়াদ আরাফাতের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন আতাউল্লাহ বুখারী

ঠাকুরতলায় সিএনজি থেকে ব্যাগভর্তি অস্ত্র উদ্ধার, নেপথ্যে কারা খতিয়ে দেখছে পুলিশ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, মহেশখালী (কক্সবাজার):: মহেশখালীতে আবারও ব্যাগভর্তি অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার ছোট মহেশখালীর ঠাকুরতলা এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের প্রকৃতি, সংখ্যা এবং এগুলো কোথা থেকে আনা হচ্ছিল, তা বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

​এর আগে গত ২১ আগস্ট রাতে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি এলাকার পাহাড়ি আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র আট দিনের ব্যবধানে আবারও ঠাকুরতলায় সিএনজি থেকে অস্ত্র ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ হওয়ায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুটি ঘটনা মহেশখালীতে অস্ত্রের উৎপাদন, উৎস ও সরবরাহচক্রের সক্রিয়তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

​পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মূল নজর দেওয়া হচ্ছে এই অস্ত্রের উৎস এবং চূড়ান্ত গন্তব্যের ওপর। সিএনজিতে পরিবহনের সময় অস্ত্র ও তৈরির সরঞ্জাম একসঙ্গে পাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, এর নেপথ্যে সুসংগঠিত কোনো অপরাধী চক্র জড়িত থাকতে পারে। আটককৃতদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানা চেষ্টা চলছে, এসব অস্ত্র কোনো স্থানীয় অপরাধী গোষ্ঠী নাকি বাইরের কোনো সংগঠনের কাছে সরবরাহের কথা ছিল। পাশাপাশি মিঠাছড়ির পাহাড়ি আস্তানার ঘটনার সঙ্গে এই ঠাকুরতলার ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

​মহেশখালীর বিস্তীর্ণ পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা লোকচক্ষুর আড়ালে এসব দুর্গম এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তোলে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘনঘন এমন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, কেবল বাহকদের আটক না করে অস্ত্রের কাঁচামাল সরবরাহকারী, কারিগর এবং মূল মদদদাতাদের চিহ্নিত করে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হোক।

​ঠাকুরতলার এই ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে একটি সাধারণ উদ্ধার অভিযান মনে হলেও, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অস্ত্রের নেপথ্যে থাকা মূল হোতাদের বের করা এবং মহেশখালীর গোপন অস্ত্র সরবরাহ রুটগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট