মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পালংখালীতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে বসতভিটা দখলে নিতে হামলা-ভাংচুর অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! বান্দরবানের নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ইসলামী সমাজকল্যাণ সমিতি ও পাঠাগারের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে ৫ হাজার ৬৩০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে চালক আনোয়ারের মৃত্যু সহকর্মীর স্মৃতিতে আবেগঘন শ্রদ্ধা, রিয়াদ আরাফাতের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন আতাউল্লাহ বুখারী খাগড়াছড়িতে কংচাইরী মাস্টারকে সংবর্ধনা উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবদল নেতা বশর আটক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা মহেশখালীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১০

অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি!

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকান্ডের পর মেরিনড্রাইভ এলাকায় অবৈধ-অনুমোদনহীন স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

প্রথম দিনে ২৬ অক্টোবর সোমবার প্রায় ৩ ঘন্টার অভিযানে ইনানী এলাকার বে-হিলটন রিসোর্ট নামের একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠানের চারতলা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) জানিয়েছে, ‘ চারবার নোটিশ দেওয়ার পরও তা আমলে নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি ফলে অভিযান করে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মেরিন ড্রাইভে অবৈধ কোনো স্থাপনা রাখতে দেওয়া হবে না জানিয়ে কউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ মেরিনড্রাইভের দুই পাশে অবস্থিত দুই থেকে আড়াইশ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে কউকের পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বারবার নোটিশ করার পরও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে যা অব্যাহত থাকবে।’

কউকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকার কথা থাকলেও অভিযানের পর কিছু সময় অতিবাহিত না হতেই সোমবার সন্ধ্যায় সরজমিনে মেরিনড্রাইভের উখিয়া উপজেলার প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশ ঘুরে অন্তত ৪/৫ টি স্থাপনার নির্মাণযজ্ঞ চলতে গেছে। এসবে নির্মাণে জড়িতদের দাবি, তারা সরকারি দপ্তরকে ম্যানেজ করেছেন।

টুপটুপ রিসোর্টের পার্শ্ববর্তী ইনানী এলাকায় অবস্থিত বেলাভূমি ভিলা এন্ড রিসোর্টে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির রিসেপশন অর্থাৎ অভ্যর্থনা কক্ষের পাশেই ছাউনি করে আড়ালে নির্মাণকাজে ব্যস্ত কয়েকজন শ্রমিক। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির পেছনে একতলা একটি নির্মাণাধীন ভবন দেখা গেছে।

তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মনসুর জানান, ‘ একটি পানির ট্যাংক সেখানে বসানো হচ্ছে তবে নতুন করে কোন নির্মাণ চলছে না। ‘ কউকের নির্দেশনার পর একতলা  ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ বলেও দাবী করেন তিনি।

সোনারপাড়া এলাকায় সৈকত অংশে সাদাবালি রিসোর্ট নামে আরেকটি বাঁশ-কাঠের প্রতিষ্ঠান দেখা গেছে যেটিও পরিচালিত হচ্ছে অনুমোদন ছাড়া। প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষের একজন ইমরান নাজির ইমন জানান, ‘ কউকের নির্দেশনার পর তারা কোন প্রকারের নির্মাণ কাজ করছেন না। ‘ একদিন আগেও প্রতিষ্ঠানটির গেইটে নামফলক থাকলেও সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে উচ্ছেদের পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বে-হিলটন মালিকপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি শহীদুল হক এসময় দাবী করেন, ‘ ২০১৪ সালে বে-হিলটনের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং তাদের কাছে সব কাগজপত্র সহ অনুমোদন প্রক্রিয়ার যথেষ্ট প্রমাণ ছিলো কিন্তু সেটি তোয়াক্কা না করে ছয় কোটি ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা হয়। ‘

তিনি জানান, ‘ মালামাল সরানোর জন্য এক দিনের সময় প্রার্থনা করা হলেও কউক তা প্রাধান্য না দিয়েই উচ্ছেদ অভিযান চালায়।’

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘কউকের অনুমোদন না পেলে ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সরকারি একাধিক দপ্তরের অনুমতি পায় না।’

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ আমরা অবৈধ রিসোর্ট-কটেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাগজপত্র যাচাই করছি। পাশাপাশি অবৈধভাবে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথভাবে উচ্ছেদ অভিযানও চালানো হচ্ছে।’

গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) কক্সবাজারের প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-অংশিজনদের সাথে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ব্যবসায়ীরা ওয়ান–স্টপ সার্ভিস চালুর প্রস্তাব দেন,  বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট