শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, ইয়াবা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ৯ পরোয়ানাভুক্ত সালাউদ্দিন চট্টগ্রামের খুলশী থেকে গ্রেপ্তার মহেশখালীর তিন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে হাইকোর্টের রুল হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে মহেশখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদ্‌যাপন বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পরিচিতি সভা পালংখালীতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে বসতভিটা দখলে নিতে হামলা-ভাংচুর অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! বান্দরবানের নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ইসলামী সমাজকল্যাণ সমিতি ও পাঠাগারের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে ৫ হাজার ৬৩০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে চালক আনোয়ারের মৃত্যু সহকর্মীর স্মৃতিতে আবেগঘন শ্রদ্ধা, রিয়াদ আরাফাতের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন আতাউল্লাহ বুখারী

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মহেশখালীতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, নিরাপদ স্থানে যেতে প্রশাসনের জরুরি আহ্বান!

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, মহেশখালী (কক্সবাজার):: বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক বৈরী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কক্সবাজারের উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলার মোট ৯৬টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবক-
দের সমন্বয়ে সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি কিংবা অন্য যেকোনো দুর্যোগজনিত জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের কোনো ধরনের বিলম্ব না করে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে হবে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে পরিবার ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত উদ্ধার, চিকিৎসাসেবা, ত্রাণ বিতরণ এবং অন্যান্য জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ব্যবহারের বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, “মহেশখালী উপজেলার ৯৬ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে সবাইকে দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন,গুজবে কান দেবেন না একে অপরকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করুন।” উপজেলা প্রশাসনের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, “মহেশখালী উপজেলায় মোট ৯৬টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বা যেকোনো দুর্যোগজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার স্বার্থে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে দ্রুত আশ্রয় গ্রহণের জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।” দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়া, সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা এবং গুজব এড়িয়ে চলা প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই সম্ভাব্য দুর্যোগের আগেই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য মহেশখালীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট