শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, ইয়াবা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ৯ পরোয়ানাভুক্ত সালাউদ্দিন চট্টগ্রামের খুলশী থেকে গ্রেপ্তার মহেশখালীর তিন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে হাইকোর্টের রুল হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে মহেশখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদ্‌যাপন বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পরিচিতি সভা পালংখালীতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে বসতভিটা দখলে নিতে হামলা-ভাংচুর অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! বান্দরবানের নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ইসলামী সমাজকল্যাণ সমিতি ও পাঠাগারের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে ৫ হাজার ৬৩০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে চালক আনোয়ারের মৃত্যু সহকর্মীর স্মৃতিতে আবেগঘন শ্রদ্ধা, রিয়াদ আরাফাতের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন আতাউল্লাহ বুখারী

তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া, জানাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫
  • ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ৪ মে ২০২৫: ডেস্ক রিপোর্ট
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (UNSW) জানায়, তুরিন আফরোজের নামে কোনো পিএইচডি ডিগ্রি তাদের কাছে নেই। এমনকি তার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী তালিকাতেও কারও উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে রোববার (৪ মে) আপিল বিভাগে উত্তরার বাড়ি-সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিকালে। এ সময় আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হায়দার।

এর আগে ১৩ মার্চ আদালতে শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেন, প্রসিকিউটর থাকাকালে তুরিন আফরোজ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং এক পর্যায়ে তার মাকে নিজ বাসা থেকে বের করে দেন। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, রাজধানীর উত্তরার রেসিডেনশিয়াল মডেল টাউনের ১১ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর প্লটের পাঁচতলা বাড়ি নিয়ে তুরিন আফরোজ ও তার মা শামসুন্নাহার বেগম এবং ভাই শাহনেওয়াজ আহমেদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

২০১৮ সালে দখল সংক্রান্ত বিরোধে বিচারিক আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। কিন্তু ২০২৩ সালের মার্চে হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন দায়ের হলে বিচারপতি মো. সেলিমের একক বেঞ্চ ২০২৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি স্থিতাবস্থা বাতিল করে রুল যথাযথ ঘোষণা করেন। এর ফলে শামসুন্নাহার বেগম ও তার ছেলে শাহনেওয়াজ আহমেদের ওই বাড়িতে বসবাসে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

উত্তরার বাড়িটির মালিকানা নিয়েও দুই পক্ষের ভিন্ন দাবি রয়েছে। তুরিন আফরোজ আদালতে বলেন, ১৯৯৪ সালে তার বাবা তসলিম উদ্দিন তাকে হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি দেন। তবে তার মা ও ভাই আদালতে লিখিতভাবে দাবি করেছেন, তসলিম উদ্দিন কখনও হেবা দেননি, বরং ১৯৯৭ সালে শামসুন্নাহার বেগম নিজে ছেলে শাহনেওয়াজকে সম্পত্তি হেবা করেন এবং পরে নামজারিও সম্পন্ন হয়। বর্তমানে বাড়ির ভোগদখল ও মালিকানা নিয়ে দায়ের করা দুটি দেওয়ানি মামলা বিচারিক আদালতে চলমান রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট