
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সুলতানের দিকনির্দেশনায় কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই রাজু আহমেদ গাজীর নেতৃত্বে মহেশখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ধলঘাটা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদারপাড়া এলাকার ওই চিংড়ি ঘেরে হানা দেয় পুলিশ।
অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থল থেকে কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনুসখালী এলাকার মোঃ ইসমাইলের ছেলে হালিম মোহাম্মদ মিজবা (২৫) এবং একই এলাকার মৃত ফরিদ আলমের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন রিফাত (২৭) কে আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চিংড়ি ঘের সংলগ্ন একটি সেমিপাকা ঘরের উত্তরমুখী কক্ষে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে ১টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ২টির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অস্ত্রের উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। পুলিশের এই সফল অভিযানের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার সচেতন মহল পুলিশের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়ে অঞ্চলটিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সুলতান অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মহেশখালী উপজেলায় সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।