
নিজস্ব প্রতিনিধি:: রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া ও ঈদগড় এলাকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ কেয়ারটেকার পদে নিয়োগ পরীক্ষা গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে কক্সবাজারের বাইতুশরফে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে বয়সসীমা লঙ্ঘন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জাবের আহমদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৪০ বছর নির্ধারণ করা হলেও তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৮৫। সে হিসাবে নির্ধারিত বয়সসীমা অতিক্রম করার পরও তিনি কীভাবে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৩, ৪ ও ৫ নম্বর শর্ত নিয়েও তার বিরুদ্ধে আপত্তি রয়েছে। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ছিল ১১।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষার আগে টানা তিন দিন তিনি কক্সবাজারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের পাশের একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করে অর্থের বিনিময়ে বিশেষ সহযোগিতা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাওলানা মো. তৈয়ব ও আব্দুর রহিম সাংবাদিকদের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে,ইসলামি ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলায় উপজেলার প্রায় ৭০০ জন কেয়ারটেকার ও সাধারণ কেয়ারটেকার পদের প্রার্থীর নিয়োগ পরীক্ষা একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে রামুর কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া ও ঈদগড় এলাকার সাধারণ কেয়ারটেকার পদে অংশগ্রহণ করেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন জাবের আহমদ, আব্দুর রহিম এবং মাওলানা মো. তৈয়ব। অভিযোগকারীদের দাবি, অনিয়মের মাধ্যমে জাবের আহমদকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার আকবর বলেন, “এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ভাই ভাই পরীক্ষা নেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”