শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, ইয়াবা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ৯ পরোয়ানাভুক্ত সালাউদ্দিন চট্টগ্রামের খুলশী থেকে গ্রেপ্তার মহেশখালীর তিন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে হাইকোর্টের রুল হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়তে মহেশখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদ্‌যাপন বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পরিচিতি সভা পালংখালীতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে বসতভিটা দখলে নিতে হামলা-ভাংচুর অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ, ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! বান্দরবানের নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ইসলামী সমাজকল্যাণ সমিতি ও পাঠাগারের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে ৫ হাজার ৬৩০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে চালক আনোয়ারের মৃত্যু সহকর্মীর স্মৃতিতে আবেগঘন শ্রদ্ধা, রিয়াদ আরাফাতের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন আতাউল্লাহ বুখারী

মহেশখালীতে টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল! দুর্ভোগে দ্বীপবাসী

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

সরওয়ার কামাল, মহেশখালী:: কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

স্মরণকালের অন্যতম ভারী বৃষ্টিপাতে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক জলাবদ্ধতা। এতে শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে, ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
উপজেলার পৌরসভা, কুতুবজোম, মাতারবাড়ী, ধলঘাটা ও ছোট মহেশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়ার কারণে মহেশখালী-কক্সবাজার নৌপথে চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

পৌরসভার ঘোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, তাদের শেষ সম্বল হিসেবে থাকা বসতঘরও এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিবার নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটালেও রান্না করে খাওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। কয়েকদিন ধরে মানুষের দেওয়া খাবার খেয়েই দিন কটছে তাদের।

একই এলাকার রহিমা বেগম বলেন, কার্যকর কালভার্ট না থাকায় প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এবার ঘরে পানি ঢুকে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।

সরেজমিনে পৌরসভার ঘোনাপাড়া, কুতুবজোম, মাতারবাড়ীর জালিয়াপাড়া ও ধলঘাটা এলাকায় দেখা যায়, অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার ঘোনাপাড়ায় নির্মিত অহনা কনভেনশন হল নির্মিত হওয়ার পর পানি বন্দি হওয়াতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক কালভার্ট নির্মাণ না করায় বর্ষার পানি দ্রুত নামতে পারছে না। ফলে পুরো এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে
মহেশখালীর তরুণ সমাজসেবক ফয়সাল আমিন ও উপজেলা প্রশাসন। পৌরসভার ঘোনাপাড়া, পুটিবিলা, দাসী মাঝিরপাড়া ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এলাকায় পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

৮ জুলাই রাতে মহেশখালী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে অসহায় পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

ইউএনও ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, টানা বর্ষণে উপজেলার পৌরসভাসহ একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং বহু বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট