মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের জন্য হত্যার অভিযোগ সভাপতি পদে হেরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদের ধন্যবাদ পানছড়িতে বিদ্যালয়গুলোর পরিচ্ছন্নতায় জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমার উদ্যোগ হোয়ানকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে “জ্বালানির জন-মালিকানা ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর” শীর্ষক স্থানীয় নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মহেশখালী উপজেলায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন বান্দরবানে ওয়াল্ড ভিশন ও গ্রাউস কতৃক ৫০টি পরিবারের মাঝে ১হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ

সোনাদিয়ায় উচ্ছেদের কয়েক মাসেই ফের খাস জমি দখল করে অবৈধ কটেজ নির্মাণ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর সোনাদিয়া দ্বীপে সরকারি খাস জমি ও পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) দখল করে আবারও অবৈধ কটেজ ও রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসনের পরিচালনা করা জোরদার উচ্ছেদ অভিযানের মাত্র কয়েক মাস যেতে না যেতেই একই জায়গায় নতুন করে এসব স্থাপনা গড়ে তোলায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং প্রশাসনের তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরণের প্রশ্ন।

​জানা গেছে, গত ৯ মে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাদিয়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মজুমদারের নেতৃত্বে এক যৌথ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় চালানো ওই অভিযানে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি অবৈধ কটেজ, রিসোর্ট ও ছোট-বড় অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে সরকারি খাস জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। সে সময় ভবিষ্যতে পুনর্দখল রোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার কথা জানিয়েছিল উপজেলা প্রশাসন।

​তবে উচ্ছেদের পর কিছুদিন এলাকা শান্ত থাকলেও সম্প্রতি একটি প্রভাবশালী দখলচক্র আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তারা জানান, প্রশাসনের নজরদারির অভাবের সুযোগ নিয়ে উদ্ধার করা জমিতেই নতুন করে বাঁশ, কাঠ ও টিন দিয়ে কটেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও স্থায়ী ও পাকা অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। উচ্ছেদ হওয়া জমিতে কীভাবে প্রকাশ্যে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হলো এবং কেন জড়িতদের থামানো হলো না, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

​পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনাদিয়া দ্বীপটি সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম ছাড়ার ক্ষেত্র, পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আশ্রয় ও উপকূলীয় বালিয়াড়িসহ বিরল প্রজাতির উদ্ভিদের অন্যতম মূল আবাসস্থল। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলে দ্বীপটির স্বাভাবিক বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি চরম ধ্বংসের মুখে পড়বে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কেবল একদিনের অভিযানে সরকারি খাস জমি রক্ষা সম্ভব নয়; পুনর্দখল রোধে নিয়মিত মনিটরিং, জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং নির্মাণ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর পদক্ষেপ জরুরি।

​স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অনতিবিলম্বে এসব নতুন করে নির্মিত অবৈধ কটেজ চিহ্নিত করে পুনরায় উচ্ছেদ করতে হবে এবং খাস জমি গ্রাসকারী চক্রটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সাথে পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ সমন্বয়ে দ্বীপে একটি স্থায়ী নজরদারি দল গঠনের দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট