মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের জন্য হত্যার অভিযোগ সভাপতি পদে হেরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদের ধন্যবাদ পানছড়িতে বিদ্যালয়গুলোর পরিচ্ছন্নতায় জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমার উদ্যোগ হোয়ানকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে “জ্বালানির জন-মালিকানা ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর” শীর্ষক স্থানীয় নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মহেশখালী উপজেলায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন বান্দরবানে ওয়াল্ড ভিশন ও গ্রাউস কতৃক ৫০টি পরিবারের মাঝে ১হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ

ত্যাগ,সংগ্রাম ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি: মহেশখালীর রাজনীতিতে আবু বক্কর ছিদ্দিকের দীর্ঘ পথচলা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের| নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী (কক্সবাজার):: মহেশখালী উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি নাম আবু বক্কর ছিদ্দিক। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বর্তমান উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।তাঁর সমর্থকদের মতে, রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় বহু প্রতিকূলতা, মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবরণ এবং রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়েও

তিনি দলীয় সংগঠনকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেছেন।

রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলায় ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের চেয়ে দলীয় আদর্শ,সংগঠন এবং নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার বিষয়টিকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন বলে তাঁর অনুসারীরা দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য, অসংখ্য রাজনৈতিক ঝড়-ঝাপটা, মামলা-হামলা এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সংগঠন থেকে বিচ্যুত হননি; বরং প্রতিটি সংকটকে সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের সাহস ও মনোবল জুগিয়েছেন।

দুঃসময়ের রাজনীতির এক অধ্যায়,স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির অনেক নেতার মতো আবু বক্কর ছিদ্দিকও রাজনৈতিক চাপ, মামলা এবং কারাবরণের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। তাঁদের দাবি, এসব পরিস্থিতিতে অনেক নেতা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লেও তিনি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন এবং নেতা-কর্মীদের ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান।তাঁদের মতে,রাজনীতির সবচেয়ে কঠিন সময়ে তাঁর নেতৃত্ব তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের জন্য সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। তৃণমূলের নেতা হিসেবে পরিচিতি মহেশখালী উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মী তাঁকে তৃণমূলের নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন। তাঁদের ভাষ্য, তিনি শুধু দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নই করেননি, বরং ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করেছেন। সমর্থকদের দাবি, সংকটের সময়ে নেতা-কর্মীদের আইনি সহায়তা, পারিবারিক খোঁজখবর এবং রাজনৈতিকভাবে পাশে থাকার কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষা,যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়ভাবে উল্লেখ করা হয়। সমর্থকদের মতে, উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা ও সমাজসেবায় সম্পৃক্ততা, রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কথাও স্থানীয়দের অনেকে উল্লেখ করেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান এবং সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে তিনি একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি।

দল থেকে কী পেলেন,দলকে কী দিলেন?

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়নে তাঁর অনুসারীরা বলেন, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলকে সংগঠিত রাখা, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং তৃণমূলকে শক্তিশালী করাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান। তাঁদের মতে, পদ-পদবির চেয়ে সংগঠনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণেই তিনি এখনও নেতা-কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য।

বর্তমান দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা বর্তমানে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। স্থানীয় পর্যায়ে দলকে আরও সুসংগঠিত করা, নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা রয়েছে। অনেক নেতা-কর্মীর ভাষায়, অতীতের ত্যাগ, সংগ্রাম ও নেতৃত্ব ভবিষ্যতেও সংগঠনের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

মহেশখালীর রাজনীতিতে আবু বক্কর ছিদ্দিকের নাম দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। তাঁর সমর্থকদের কাছে তিনি ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের প্রতীক।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট