শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালী: সম্ভাবনার দ্বীপ থেকে কৌশলগত অর্থনৈতিক হাবে উত্তরণের গল্প উন্নয়নের মহাযজ্ঞে কতটা বদলেছে মানুষের জীবন? মহেশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত উদীয়মান প্রতিভা ইয়াসার আহমদ জীমের অকাল প্রয়াণে মহেশখালীজুড়ে শোক;  দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের দাবি! মহেশখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুঃ পরিবারের দাবি পিটিয়ে হত্যা,তদন্তে পুলিশ! উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক শিক্ষার্থীদের পাশে পুলিশ: নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে কক্সবাজারে পুলিশ সুপারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! প্রতিশ্রুতি মিলেছে,মূল্য মেলেনি, মন্ত্রী-এমপির আশ্বাসের পরও বাড়েনি লবণের দাম, সংকটে হাজারো প্রান্তিক চাষী! মানবিকতার আড়ালে স্বার্থের বাণিজ্য: দুর্যোগ আর অসহায়ত্বকে পুঁজি করার উৎসব! অনলাইন শপ Optiluxbd-এর প্রতারণা: লটারিতে জেতা বাইক ১ বছরেও পাননি রোহিঙ্গা যুবক একারাম

মহেশখালীতে সামাজিক বনায়নের ৩৬ উপকারভোগীর মাঝে চেক বিতরণ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

➤সরকারের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসম্পৃক্ত বন ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে নতুন গতি;উপকারভোগীদের হাতে লভ্যাংশের চেক তুলে দিলেন এমপি ফরিদ

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের নিজস্ব প্রতিবেদক মহেশখালী (কক্সবাজার):: সরকারের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বন সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসম্পৃক্ত বন ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে মহেশখালীতে উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেন। সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সামাজিক বনায়নের আওতায় গাছের পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী মোট ৩৬জন উপকারভোগীর মধ্যে এই চেক বিতরণ করা হয়। তাদের মধ্যে ৫জন নারী এবং ৩১জন পুরুষ রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, সামাজিক বনায়ন শুধু বৃক্ষরোপণের একটি কর্মসূচি নয়; এটি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। বনজ সম্পদ রক্ষায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, উপকূলীয় জনপদ মহেশখালীর জন্য সামাজিক বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়,জলোচ্ছ্বাস, উপকূলীয় ক্ষয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে বনভূমির বিকল্প নেই। তাই সামাজিক বনায়নের প্রতিটি গাছ দেশের সম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার পরিবেশ বান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ বিতরণ সেই অঙ্গীকারেরই বাস্তব প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির ফলে একদিকে যেমন বনভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের আয় বাড়ছে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরি হচ্ছে। বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। উপকারভোগীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক উল্লেখ করে বলেন, সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে তারা যেমন আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন, তেমনি পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করতে পেরেছেন। ভবিষ্যতেও বন সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বন বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুধীজন এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে বন সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয় এবং পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট