
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম এই অভিযান পরিচালনা করেন। বাজার এলাকার ফুটপাত সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করে পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে গোরকঘাটা বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে ফুটপাত দখল করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করায় সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে মূল সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছিল। এর ফলে একদিকে যেমন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারীরা পড়ছিলেন মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বার্থ বিবেচনায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় এবং অভিযুক্তদের জরিমানা করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখল না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গোরকঘাটা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে নারী, শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীসহ সাধারণ পথচারীদের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা, সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থাপনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে অবৈধ দখল ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সরকারি জায়গা দখল না করে নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল একদিনের অভিযানে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বাজার এলাকাকে স্থায়ীভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত তদারকি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।