মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের জন্য হত্যার অভিযোগ সভাপতি পদে হেরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদের ধন্যবাদ পানছড়িতে বিদ্যালয়গুলোর পরিচ্ছন্নতায় জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমার উদ্যোগ হোয়ানকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে “জ্বালানির জন-মালিকানা ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর” শীর্ষক স্থানীয় নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মহেশখালী উপজেলায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন বান্দরবানে ওয়াল্ড ভিশন ও গ্রাউস কতৃক ৫০টি পরিবারের মাঝে ১হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌপথে অতিরিক্ত টোলে ক্ষুব্ধ পর্যটক, পর্যটন বিকাশে বড় বাধার আশঙ্কা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, মহেশখালী (কক্সবাজার):: কক্সবাজারের মহেশখালী-কক্সবাজার নৌপথে আসা-যাওয়ায় ১০০ টাকা ঘাট টোল আদায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীরা। সমুদ্র, পাহাড়, মন্দির ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে সমৃদ্ধ সম্ভাবনাময় এই দ্বীপ অঞ্চলটিতে যাতায়াতের মূল নৌভাড়ার চেয়ে টোলের বাড়তি খরচ পর্যটন বিকাশের নীতিকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

​স্পিডবোট বা গামবোটে যেখানে ৫০ থেকে ১১০ টাকা নির্ধারিত ভাড়া, সেখানে কেবল ঘাটে প্রবেশের জন্যই একজন যাত্রীকে দুই দফায় মোট ১০০ টাকা টোল গুনতে হচ্ছে। একা একজন পর্যটকের জন্য এটি কম মনে হলেও পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে দলবেঁধে আসা দর্শনার্থীদের ভ্রমণ ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য মহেশখালী ভ্রমণ এখন অতিরিক্ত চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, অতিরিক্ত খরচ ও হয়রানির কারণে দীর্ঘমেয়াদে পর্যটকেরা বিকল্প গন্তব্য বেছে নিতে পারেন, যা স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহনচালক ও সার্বিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

​অতিরিক্ত এই টোল আদায়ের বিনিময়ে ঘাটে যাত্রীদের জন্য ন্যূনতম কোনো সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। বসার উপযুক্ত ব্যবস্থা, নারী ও শিশুদের জন্য পরিচ্ছন্ন অপেক্ষাগার কিংবা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব সত্ত্বেও নিয়ম না মেনে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সরকারি অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে ইজারাদার বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এর আগে বিআইডব্লিউটিএ চালু করা সাশ্রয়ী সি-ট্রাক সার্ভিসও নিয়মিত না থাকায় নৌপথের বিশৃঙ্খলা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

​মহেশখালীর বিশাল পর্যটন সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে দ্রুত এই টোল ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটনসংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘাটে অনুমোদিত ভাড়া ও টোলের সুস্পষ্ট তালিকা টাঙানো, প্রতিটি আদায়ের রসিদ প্রদান এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ তদন্তে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। নৌপথের এই বাড়তি ব্যয় দূর না হলে দেশের অন্যতম সেরা এই পর্যটন গন্তব্যের প্রতি দর্শনার্থীদের আস্থা ও আগ্রহ—উভয়ই মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট