মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের জন্য হত্যার অভিযোগ সভাপতি পদে হেরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদের ধন্যবাদ পানছড়িতে বিদ্যালয়গুলোর পরিচ্ছন্নতায় জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমার উদ্যোগ হোয়ানকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে “জ্বালানির জন-মালিকানা ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর” শীর্ষক স্থানীয় নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মহেশখালী উপজেলায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন বান্দরবানে ওয়াল্ড ভিশন ও গ্রাউস কতৃক ৫০টি পরিবারের মাঝে ১হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ

বেপরোয়া গতির ‘সাম্পান’: কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ এখন আতঙ্কের নাম

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি:: সৌন্দর্যের লীলাভূমি কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোড প্রতিদিন হাজারো পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের চলাচলে মুখরিত থাকে। তবে দীর্ঘ এই উপকূলীয় সড়কে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বেপরোয়া গতির ‘সাম্পান’ গাড়ি (পাওয়ার ট্রিলার বা ইঞ্জিনচালিত একধরনের স্থানীয় যানবাহন)। ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করে দ্রুতগতিতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলায় এই যানগুলো এখন রূপ নিয়েছে এক একটি ‘চলন্ত মরণফাঁদে’।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেরিন ড্রাইভের মতো তুলনামূলক সরু ও বাঁকবহুল সড়কে ভারী মালামাল, নির্মাণসামগ্রী ও স্থানীয় কৃষিপণ্য পরিবহনে এসব সাম্পান গাড়ি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন এসব যানের চালকদের অধিকাংশের নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ বা ড্রাইভিং লাইসেন্স। কম বয়সী কিশোর ও অপ্রাপ্তবয়স্ক যুবকরাই মূলতঃ বেপরোয়া গতিতে এগুলো ছুটিয়ে নিয়ে যায়।
​দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পর্যটক ও পথচারী
নিয়ন্ত্রণহীন গতি আর ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের কারণে মেরিন ড্রাইভে ছোট-বড় দুর্ঘটনা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। পর্যটকবাহী জিপ, সিএনজি অটোরিকশা কিংবা মোটরবাইকের সঙ্গে প্রায়শই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে পর্যটকেরা প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে আচমকা পেছন থেকে আসা এসব বেপরোয়া সাম্পান গাড়ির শিকার হচ্ছেন।
​স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, “সমুদ্রের পাড় ধরে যাওয়ার এই চমৎকার রাস্তাটা এখন আতঙ্কের জায়গা। সাম্পান গাড়িগুলো যে গতিতে আর বিকট শব্দে আসে, মনে হয় যেকোনো মুহূর্তে গায়ে তুলে দেবে। অনেক সময় ওভারটেকিং করতে গিয়ে পুরো রাস্তা দখল করে ফেলে।” নিরাপত্তার দাবি ও কর্তৃপক্ষের নজরদারি মেরিন ড্রাইভে নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যটক ও স্থানীয়দের দাবি— অবিলম্বে ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত সাম্পান গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা।

​অপ্রাপ্তবয়স্ক ও লাইসেন্সহীন চালকদের গাড়ি চালানো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে গতিবিদ বা স্পিড গান ব্যবহারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক ট্রাফিক মনিটরিং নিশ্চিত করা।
​অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই পথ যেন শোকের কারণ না হয়, সে জন্য এখনই সাম্পান গাড়ির বেপরোয়া গতির রাশ টানতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সর্বস্তরের মানুষ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট