মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌতুকের জন্য হত্যার অভিযোগ সভাপতি পদে হেরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদের ধন্যবাদ পানছড়িতে বিদ্যালয়গুলোর পরিচ্ছন্নতায় জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমার উদ্যোগ হোয়ানকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে “জ্বালানির জন-মালিকানা ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর” শীর্ষক স্থানীয় নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মহেশখালী উপজেলায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন বান্দরবানে ওয়াল্ড ভিশন ও গ্রাউস কতৃক ৫০টি পরিবারের মাঝে ১হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ

বানের জলে ভাসছে মহেশখালী: এনজিও কর্মীদের ‘কিস্তির চাপ’ না দেওয়ার মানবিক আহ্বান

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের, মহেশখালী (কক্সবাজার):: টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ, বৈরী আবহাওয়া ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর সার্বিক জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাজারো পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বন্যায় কৃষিজমি, মাছের ঘের, লবণ মাঠ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দিনমজুরদের আয়ের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এমন বাস্তবতায় ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায়ের নামে কোনো ধরনের চাপ, ভয়ভীতি বা হয়রানি না করার জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এনজিও কর্মীদের প্রতি মানবিক আহ্বান জানিয়েছেন মহেশখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং মহেশখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর দিদার আলম।

​মহেশখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দিদার আলম জানান, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবিক দায়িত্ব। আজ যারা বন্যায় সর্বস্ব হারিয়েছেন, তাদের ওপর কিস্তির চাপ সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ ক্ষুদ্র ঋণের মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের আরও সংকটে ফেলে দেওয়া নয়। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ক্ষেত পানির নিচে, জেলেরা সাগরে যেতে পারছেন না এবং দিনমজুররা কাজের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনাকারী এনজিওগুলোর উচিত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের তালিকা তৈরি করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা এবং কিস্তি আদায় সাময়িক স্থগিত, সময় বৃদ্ধি কিংবা জরিমানা মওকুফের মতো মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অবস্থান করছে এবং মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অতীতে বিভিন্ন দুর্যোগের সময় কিস্তি আদায়কে কেন্দ্র করে মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল উল্লেখ করে সচেতন নাগরিকরা জানান, এবার এনজিওগুলো মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখালে তা ঋণগ্রহীতা ও প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্যই ইতিবাচক হবে।

​দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্তদের কিস্তি পরিশোধের সময় বাড়িয়ে সহজ শর্তে পুনঃতফসিল বা নতুন ঋণ সহায়তা দেওয়া গেলে তারা দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও এনজিওগুলোর প্রতি দুর্যোগকালীন সময়ে কিস্তির নামে কোনো পরিবার যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট