শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালী: সম্ভাবনার দ্বীপ থেকে কৌশলগত অর্থনৈতিক হাবে উত্তরণের গল্প উন্নয়নের মহাযজ্ঞে কতটা বদলেছে মানুষের জীবন? মহেশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত উদীয়মান প্রতিভা ইয়াসার আহমদ জীমের অকাল প্রয়াণে মহেশখালীজুড়ে শোক;  দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের দাবি! মহেশখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুঃ পরিবারের দাবি পিটিয়ে হত্যা,তদন্তে পুলিশ! উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক শিক্ষার্থীদের পাশে পুলিশ: নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে কক্সবাজারে পুলিশ সুপারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! প্রতিশ্রুতি মিলেছে,মূল্য মেলেনি, মন্ত্রী-এমপির আশ্বাসের পরও বাড়েনি লবণের দাম, সংকটে হাজারো প্রান্তিক চাষী! মানবিকতার আড়ালে স্বার্থের বাণিজ্য: দুর্যোগ আর অসহায়ত্বকে পুঁজি করার উৎসব! অনলাইন শপ Optiluxbd-এর প্রতারণা: লটারিতে জেতা বাইক ১ বছরেও পাননি রোহিঙ্গা যুবক একারাম

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইউএনও’র সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় ১ কোটি ৩ লাখ টাকা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

আমিনুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান):: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: এনামুল হাসানের চরম সততা ও সঠিক তদারকিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। নির্ধারিত বরাদ্দ থেকে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার পর উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

​উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন এবং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের দুইটি খাল পুনঃখননের জন্য সরকার মোট ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। এর মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ ১৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্ধারিত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

​এই প্রকল্পের আওতায় সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি এলাকার ৪ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের ২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। গত ৩ মে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর এবং ১০ জুন সোনাইছড়ি ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়ে সম্প্রতি তা শেষ হয়। খননকাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি ব্যবহার, পরিবহনসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক ব্যয় পরিশোধের পরও এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অব্যয়িত থাকে।

​প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সদস্যরা জানান, পুরো প্রকল্প জুড়ে ইউএনও মো: এনামুল হাসান নিয়মিত সরজমিনে উপস্থিত থেকে কাজের মান তদারকি করেছেন এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর সুদক্ষ পরিকল্পনা ও সঠিক তদারকির কারণেই নির্ধারিত মান বজায় রেখে এত কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

​স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খাল দুটি দখল ও ভরাট হয়ে থাকায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট লেগে থাকত। খাল দুটি দিয়ে এলাকার অন্তত ৩০টির বেশি বিলের পানি নিষ্কাশন হওয়ায় এখন আর ফসল হানির কোনো আশঙ্কা থাকছে না। ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাকৃতিক মাছের আবাসস্থলও পুনরুদ্ধার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সোনাইছড়ি এলাকার কৃষক মো: শাহজাহান এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের কৃষক ছুরুত আলম সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, খাল খননের ফলে এখন থেকে আর বর্ষায় পানি জমে ফসল নষ্ট হবে না।

​এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রকল্পে সরকারি তহবিলের কোনো অপচয় হতে দেওয়া হয়নি এবং কাজ শেষে অতিরিক্ত টাকা নিয়ম অনুযায়ী কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

​নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: এনামুল হাসান বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রশাসনের মূল দায়িত্ব। প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখেই নির্ধারিত কাজ শেষ করে উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট