শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালী: সম্ভাবনার দ্বীপ থেকে কৌশলগত অর্থনৈতিক হাবে উত্তরণের গল্প উন্নয়নের মহাযজ্ঞে কতটা বদলেছে মানুষের জীবন? মহেশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত উদীয়মান প্রতিভা ইয়াসার আহমদ জীমের অকাল প্রয়াণে মহেশখালীজুড়ে শোক;  দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের দাবি! মহেশখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুঃ পরিবারের দাবি পিটিয়ে হত্যা,তদন্তে পুলিশ! উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক শিক্ষার্থীদের পাশে পুলিশ: নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে কক্সবাজারে পুলিশ সুপারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! প্রতিশ্রুতি মিলেছে,মূল্য মেলেনি, মন্ত্রী-এমপির আশ্বাসের পরও বাড়েনি লবণের দাম, সংকটে হাজারো প্রান্তিক চাষী! মানবিকতার আড়ালে স্বার্থের বাণিজ্য: দুর্যোগ আর অসহায়ত্বকে পুঁজি করার উৎসব! অনলাইন শপ Optiluxbd-এর প্রতারণা: লটারিতে জেতা বাইক ১ বছরেও পাননি রোহিঙ্গা যুবক একারাম

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

এইচ.কে রফিক, উখিয়া প্রতিনিধি:: কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন বিভাজনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে স্থানীয় জনগণের মতামত, ভৌগোলিক বাস্তবতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসংখ্যা, সরকারি সেবার প্রাপ্যতা এবং আর্থ-সামাজিক প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত বিভাজন বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বক্তারা জানান, তারা উন্নয়নের বিরোধী নন। তবে নতুন ইউনিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত হতে হবে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বাস্তবভিত্তিক। স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ, উন্মুক্ত জনশুনানি এবং নিরপেক্ষ জরিপের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো— ইউনিয়ন বিভাজনের বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, উন্মুক্ত জনশুনানির আয়োজন, নিরপেক্ষ জরিপের মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জনস্বার্থ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সরকারি সেবার বিষয় বিবেচনায় ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খালের উত্তরাংশের জনসাধারণকে হলদিয়াপালং ইউনিয়নেই বহাল রাখা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের জনসাধারণ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট