শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালী: সম্ভাবনার দ্বীপ থেকে কৌশলগত অর্থনৈতিক হাবে উত্তরণের গল্প উন্নয়নের মহাযজ্ঞে কতটা বদলেছে মানুষের জীবন? মহেশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত উদীয়মান প্রতিভা ইয়াসার আহমদ জীমের অকাল প্রয়াণে মহেশখালীজুড়ে শোক;  দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের দাবি! মহেশখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুঃ পরিবারের দাবি পিটিয়ে হত্যা,তদন্তে পুলিশ! উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক শিক্ষার্থীদের পাশে পুলিশ: নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে কক্সবাজারে পুলিশ সুপারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! প্রতিশ্রুতি মিলেছে,মূল্য মেলেনি, মন্ত্রী-এমপির আশ্বাসের পরও বাড়েনি লবণের দাম, সংকটে হাজারো প্রান্তিক চাষী! মানবিকতার আড়ালে স্বার্থের বাণিজ্য: দুর্যোগ আর অসহায়ত্বকে পুঁজি করার উৎসব! অনলাইন শপ Optiluxbd-এর প্রতারণা: লটারিতে জেতা বাইক ১ বছরেও পাননি রোহিঙ্গা যুবক একারাম

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

এইচ.কে রফিক উদ্দিন উখিয়া (কক্সবাজার):: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এর আগে একই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির সংখ্যা দাঁড়াল চারজন। বুধবার ভোররাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবের (২৮), জুবায়ের (৩৭) ও সেলিম (৩৫) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৮ এপিবিএনের গণমাধ্যম শাখা জানায়, গত ২২ জুলাই ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১-এর ই/৪ ব্লক থেকে ছয় বছর বয়সী রহমত আলীকে অপহরণ করা হয়। সে একই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুনায়েদের ছেলে।অপহরণের পর শিশুটির পরিবারের কাছে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ না করে গত ২৬ জুলাই মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করেন। এরপর শিশুটিকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপহৃত শিশুর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ৮ এপিবিএনের নজরে আসে। এরপর বাহিনীর অধিনায়ক মো. রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএমের নির্দেশনায় ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তদন্ত ও অভিযানে নামেন।

এপিবিএন সুত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই রাতে জকরিয়া (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোররাতে ক্যাম্প-১৮-এর কে/৮ ও কে/৯ ব্লকে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাবের, জুবায়ের ও সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উখিয়া থানায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-চট্টলা বাংলা , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট